বাংলা ছোট গল্প – হারাধনের দূর্গতি
‘*****কাহিনীতে দুজন বিখ্যাত ব্যক্তির নাম আমি ব্যবহার করেছি।সেটা শুধুই গল্পের খাতিরে।এর মাধ্যমে কাউকে দুঃখ দিতে নয়।-ধন্যবাদ******
এই বাড়িতে কি ভূত আছে?হারাধনের এই প্রশ্নে বনমালী খুবই বিরক্ত হয়ে উত্তর দিলেন কেন মশাই আপনি কি ভূতের বাড়ি খুঁজছেন নাকি?হারাধন জোরে জোরে মাথা নাড়তে নাড়তে বলল না মশাই মানুষ নিয়েই পারছি না আবার ভূত!!শুধু জানতে চাইলাম। বেজার মুখে বনমালী বললেন না মশাই ভূত টুত নেই।তবে বাড়ি টা একটু নিরিবিলি তে বলে চট করে ভাড়াটে পাওয়া যায় না।এখন আপনি ভেবে দেখুন নেবেন কি না।সবদিক দেখেশুনে হারাধন বাড়িটা নেবে বলেই স্থির করল।কারণ নিরিবিলিতেই হারাধনের কাজ করার সুবিধা।চমৎকার তিন বেডরুমের বিলিতি ধাঁচের বাংলো,সামনে কাঠের গেট,একটু ফুলের বাগান, পিছনে খানিকটা খোলা জায়গা। আর তারপরেই নীচে খাদ নেমে গেছে। খাদের দিকটা কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে দেওয়া। হারাধন স্থির করল আগামী কাল থেকেই এখানে থাকবে।সমস্ত কিছু ঠিকঠাক হয়ে যাবার পর বনমালী রুমালে ঘাম মুছে বলল আমি তাহলে চলি স্যার, কালকে বাড়ির চাবি নিয়ে আপনাকে আমি পৌঁছে দিয়ে যাব।মনের মত বাড়ি পাওয়ার পর হারাধন বেশ হৃষ্টচিত্তে গেস্ট হাউসের পথ ধরল।
হারাধন সরখেল পেশায় পুরাতত্ত্ববিদ।পুরাতত্ত্ব বিভাগে বেশ উচ্চপদে কর্মরত।খননকার্য থেকে পাওয়া সমস্ত কয়েন,কঙ্কাল, তৈজসপত্র ইত্যাদির বয়স নির্ধারণ করাই হারাধনের কাজ।আর এইসব কাজে হারাধন যথেষ্ট পারদর্শী। তাই হারাধনের বস যখন এই শৈলশহরের অদ্ভুত রহস্যের কথা বললেন তখন হারাধন অগ্রপশ্চাত না ভেবে রাজী হয়ে যায়। ব্যাপারটা হল বেশ কিছু দিন ধরে এই শৈলশহরের বেশ কিছু যায়গা খুঁড়লে বহু পুরনো জিনিসপত্র পাওয়া যাচ্ছিল। শেষমেশ এখানকার মানুষেরা ভয় পেয়ে পুরাতত্ত্ব বিভাগে খবর দেয়। এবং সেই সূত্রেই হারাধনের এখানে আগমন। প্রথম এসে হারাধন সরকারি গেস্ট হাউসে ওঠে,কিন্তু ওখানে প্রচন্ড গোলমাল। হারাধনের নোট নেওয়া এবং অন্যান্য কাজের অসুবিধা র জন্য সে আলাদা নিরিবিলিতে থাকার জায়গা খুঁজছিল। অবশেষ গেস্ট হাউসের ম্যানেজার বনমালী দালালের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেয়,বেশ কয়েকটি বাড়ি দেখানো র পর অবশেষে মূল জনপদ থেকে বেশ খানিকটা দূরে পাকদণ্ডি দিয়ে খানিকটা ওপরে উঠে এই বাংলো বাড়িটা বনমালী দেখায় এবং হারাধনের এক দেখাতেই পছন্দ হয়ে যায়। এখানে হারাধন একমাস হল রয়েছে, আরো হয়তো কয়েক মাস থাকতে হবে। সবদিক বিবেচনা করে হারাধন বাড়িটা নিয়ে নিল।
পরদিন একজন ফাইফরমাস খাটার ছেলে সহ বনমালী নিজের জিপে হারাধন কে মালপত্র সমেত পৌঁছে দিয়ে গেল।হারাধন ছেলেটিকে নিয়ে মহা উৎসাহে ঘর গোছাতে শুরু করে দিল।বেশ কিছুদিন খুবই ভালো করে কেটে গেল।হারাধন বেজায় খুশি, রাতে নিরিবিলিতে কাজ করবে বলে ছেলেটিকে রোজ রাতে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।আবার সকালে চলে আসে।বেশ ভালোই চলছিল সবকিছু। সেদিন ছিল ছুটির দিন সকাল থেকেই আকাশ মেঘে ঢাকা থেকে থেকেই বৃষ্টি হচ্ছিল,খুব ঠান্ডাও পড়েছে, ছোকরা চাকরটা তাড়াতাড়ি রান্না করে চলে গেছে, দুপুর দুটোতেই মনে হচ্ছে সন্ধ্যা হয়ে গেছে। হারাধন স্থির করল খাওয়া দাওয়া সেরে কাজ নিয়ে বসবে,যা অবস্থা আকাশের আগামী দু তিন দিন আর খননকার্য চালানো যাবে বলে মনে হচ্ছে না। এইসব ভাবতে ভাবতে গায়ের শালটা ভালো করে জড়িয়ে হারাধন কাজে ব্যস্ত হয়ে গেল। কতক্ষণ কেটে গেছে কাজ করতে করতে, হঠাৎ একটা দমকা ঠান্ডা হাওয়াতে হারাধনের হাড়ে হাড়ে কাঁপুনি ধরে গেল,হারাধন ভাবলো কোন জানলা বুঝি খুলে গেছে,কিন্তু সারা বাড়ি ঘুরে ও কোন খোলা জানালা দেখতে পেলনা।সেই কথা ভাবতে ভাবতে ঘরে ঢুকে অনুভব করল এখানে ঠান্ডা অনেক বেশি। ব্যাপারটা কি হচ্ছে হারাধন কিছু বুঝতে পারছিল না। যে সব জিনিস নিয়ে হারাধনের কাজ তাতে ভয় বস্তুটি হারাধনের কোন কালেই ছিল না। তাই এসব নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে আবার কাজের টেবিলে গিয়ে বসল,এবং পরিষ্কার অনুভব করল ঘাড়ে র কাছে কেউ দাঁড়িয়ে আছে। এবার ও হারাধন ভয় পেলনা,কারণ ও খুব ভালো করে জানে বাংলোর সবকটা দরজা বন্ধ কারুর আসার কোন সম্ভাবনা নেই। আর এইটা ভাবতে ভাবতে ঘাড় ঘুরিয়ে হারাধন যথারীতি কাউকে দেখতে পেলনা। কিন্তু অনুভব করল কাছেপিঠে কেউ আছে এবং ওকে লক্ষ্য করছে।নিজের অজান্তেই হারাধন বলে ফেলল কি যে সব হচ্ছে কে জানে??কাজে আর মন বসল না হারাধনের ,তাড়াতাড়ি রাতের খাওয়া সেরে হারাধন শুয়ে পড়ল এবং অভ্যাস বশে ঘুমিয়ে ও পড়ল।
হঠাৎ মাঝরাতে একটা উৎকট আওয়াজে হারাধনের ঘুমটা ভেঙে গেল।আওয়াজের উৎস খোঁজার জন্য ঘাড়টা ঘোরাতেই দেখতে পেলেন দুটো আবছা অবয়ব অন্ধকার ঘরে তুমুল ঝগড়া করছে।যথেষ্ট সাহসী হারাধন খানিকক্ষণ ঝগড়াটা শোনার পর বুঝতে পারলেন একজন আরেকজন কে দোষারোপ করছে ভুলভাল হিসেব দেওয়ার জন্য। গলা খাঁকারিয়ে হারাধন জিজ্ঞাসা করল -আপনারা কারা আর এত রাতে এখানে ঝগড়া করছেন কেন?সেই শুনে দুটি অবয়ব যুগপৎ অন্ধকার ফিরে তাকাল। একটু মোটাসোটা অবয়বটি হারাধন কে বলল -তুমি কে হে ছোকরা….!!বড়দের মাঝে কতা কইতে এয়েচো? হারাধন বললেন বা রে আপনারা তো মাঝরাতে ঝগড়া করে আমার ঘুম ভাঙালেন ।অন্য অবয়ব টি বলল -তুমি তো ভারী বেয়াদব হে ছোকরা, লোকে অশরীরী দেখে মুচ্ছো যায়, আর তুমি আমাদের সাথে কথা কইছ??তা বলি তুমি কে বাছা….কদিন ভাগ্নে তালঢ্যাঙার বিয়ের ভোজ খেতে গিয়েছিলুম আর তুমি সেই ফাঁকে দিব্য আমাদের আস্তানা দখল করে বসে আমাদের চোখ রাঙাচ্চো?কি আস্পদ্দা।মোটা অবয়ব টি বলল -আর কবেন না কেশব বাবু,আজকালকার ছেলেছোকরা গুলো যেন কিষ্কিন্ধা থেকে আমদানি হয়েছে। কোনো সহবত জানেনা।কেশব নামধারী অবয়ব টি বললেন-শুনুন ভীম বাবু আপনি এসব বলে কথা ঘোরাবেন না,আপনি কি বলে তালঢ্যাঙার বিয়েতে পচাপাঁকের রসগোল্লা কম দিলেন?পাঁচ হাজার রসগোল্লা র জায়গায় চার হাজার চুরাশিটা ,ষোলো টা রসগোল্লা কম,ছিঃ ছিঃ ভীম বাবু এবার আমি মুখ দেখাই কি করে?ভীম বললেন-আপনি কি করে জানলেন আমি কম দিইচি? আমি ভীম চন্দ্র নাগ এসব জাল জোচ্চুরির কারবার আমি করিনা কো।অন্য অবয়ব বললেন আমি শ্রী কেশবচন্দ্র নাগ,আমি একজন গনিতজ্ঞ।আমার গুনতি ভুল হবার নয়।দুই অবয়বের পরিচয় পেয়ে হারাধনের মাথার চুল খাড়া হয়ে উঠল।দুই জনই স্বনামধন্য ।
পর্ব-2
হারাধন কোন দিন স্বপ্নেও ভাবেনি এই দুই মহারথীর সাথে দেখা হবে,মৃত্যুর পরেই সই,হঠাৎ হারাধন শুনতে পেল ভীম বাবু পাঁচি পাঁচি বলে কাকে যেন ডাকছে,আর কেশব বাবু বলছেন আঃ আবার পাঁচিকে ডাকাডাকি কেন?হারাধন সবে ভাবছে এই পাঁচিটা আবার কে? সেই সময় ঠিক যেন সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামছে এমন ভাবে দেওয়াল বেয়ে এক নারী অবয়ব অন্ধকার ঘরে নেমে এলো।এসেই অদ্ভুত এক খ্যানখ্যানে গলায় বলল -দূর হ,আবার শুরু হল দুই মিনসের ঝগড়া আর পারিনে বাপু।কেশব বাবু বললেন-আহা তুমি আবার আসতে গেলে কেন?আমরাই সামলে নিতুম।তোমাকে ডেকে ভীম বাবু আবার হিসেবটা ধামা চাপা দেবার মতলব করছেন।পাঁচি বললে আসব নি বলেন কি?উনি হলেন আমার সোয়ামী,না এসে পারি!! কেশব বাবু বললেন হ্যাঁ তৃতীয় পক্ষের। বয়সের গাছ পাথর নেই,একের পর এক বিয়ে করে চলেছেন। সঙ্গে সঙ্গে ভীম বাবুর প্রতিবাদ- বয়সের খোঁটা দেবেন নাকো।পাঁচি কি এমন ছোট আমার চেয়ে?
কেশব বাবু বললেন-শুনুন আমার পিতা পুত্রের বয়সের অঙ্ক বেশিরভাগ লোকই সমাধান করতে পারেনা।হিসেব করলে দেখা যাবে আপনি পাঁচির চেয়ে তিনগুন বড়।
ভীম বাবু-রাখুন মশাই আপনারা আঁক।তৃতীয় পক্ষ তো আপনার জন্য ঘরে আনতে হল,আমার দ্বিতীয় পক্ষ কে নিয়ে আপনার অকালকুষ্মান্ড ভাগ্নে তালঢ্যাঙা যদি না পালাতো এই বলে কথা শেষ না করেই ভীম বাবু ভেউ ভেউ করে কাঁদতে লাগলেন।
পাঁচি-আ মোলো যা দিলেন তো আবার কাঁদিয়ে, এই সবে মিনসে টা দ্বিতীয় পক্ষের বউয়ের বিয়েতে নিজে হাতে ভিয়েন বসিয়ে মিষ্টি বানালো,আর মনের দুঃখে সে যদি ষোলো টা রসগোল্লা খেয়ে ফেলেই থাকে,তবে আপনি তাকে দোষ দিতে পারেন না কেশব বাবু। তার দুঃখটা বুঝুন।
কেশব বাবু এসব শুনে একটু অপ্রস্তুত হয়ে বললেন হ্যাঁ মানে তালঢ্যাঙা যে এরকম একটা কাজ করবে সেটা ভাবতে পারিনি।আসলে আমার বোন বিন্তি কেঁচোর পায়েস টা বানায় ভালো,সেই পায়েস পৌঁছাতে এসেই তো তালঢ্যাঙা চিন্তামণি কে দেখে ঘাড় কাত করে পড়ল,তারপর তো কিছুদিন পর তো দুজনেই উধাও হয়ে গেল,শেষে বিন্তি র অবস্থা দেখে ভূতবাজার পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেবার পর সে চিন্তামণিকে নিয়ে ফেরৎ এলো।ছেলে বউমা ফিরে আসাতে বিন্তি এই ভোজ দিল।তবে হ্যাঁ হিসেবে আমি কোন ভুল করিনি।ভীম বাবু আপনার মতলব মোটেই ভালো নয়।
এসব কথোপকথন শুনে হারাধনের মুখ থেকে বেরিয়ে গেল বাপরে এসব কি?হারাধনের আওয়াজ শুনে একসাথে তিনটে অবয়ব ওর দিকে ঘুরল।ভীম বাবু চোখ মুছে বললেন তুই এখনও এখেনে পালা বলছি,নইলে ঘাড় মটকে দেব।সঙ্গে সঙ্গেই পাঁচি ঝামটে উঠল হ্যাঁ তা আর মটকাবে নি,নইলে নরকবাস হবে কি করে?বলি আমি নয় আপনার তৃতীয় পক্ষ,কিন্তু আপনি তো আমার প্রথম পক্ষ।কেশব বাবু বললেন ময়রামি বুদ্ধি…!!!তা ওর নরকবাস হয় হোক পাঁচি, তুমি নয় আমার কাছে থাকবে,সাথে সাথে ভীম বাবু তেড়ে এলেন, কি বললেন আপনি ?আপনি পাঁচিকে নিয়ে থাকবেন ?ভূতানাং মাতুলক্রম আপনি এরকম বলেই তো তালঢ্যাঙার নজর চিন্তামণির ওপর পড়েছিল।
কেশব বাবু সে সব কথার আমল না দিয়ে বললেন পাঁচি আমার কাছে থাকবে আর আমি ওকে নল আর চৌবাচ্চার অঙ্ক টা যত্ন করে শিখিয়ে দেব।হারাধনের মুখ দিয়ে অজান্তেই বেরিয়ে গেল সেই চৌবাচ্চার জল কেউ কোন দিন ভরতে পারেনি,আর নলটাও চিরকাল ফুটো রয়ে গেল।সুতরাং পাঁচিও পারবেনা।পাঁচি রাগে দুগুণ হয়ে বলল এই হতচ্ছাড়া বেরো এখানে থেকে।হারাধন করুণ ভাবে বলল কোথায় যাবো বলুন তার চেয়ে আপনারা ও থাকুন আমিও থাকি।আমিও বরং কেশব বাবু র কাছে নল চৌবাচ্চার অঙ্ক শিখব।জানেন আমি কোন দিন চৌবাচ্চার জল ভরতে পারিনি।তারপর হারাধন প্রশ্ন করল আচ্ছা আপনারা তো কলকাতার ভূত, এখানে কি করে এলেন? সাথে সাথে কেশব বাবু বললেন উঁহু ভূত নয় বল অশরীরী।
আসলে আমি ছিলুম হাঁপানির রুগি, কোন দিন ঠান্ডা খেতে পারতুম না,গরম কালেও গলায় কমফর্টার জড়াতে হত।তাই মৃত্যুর পর পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছি।
আর ভীম বাবু সারাজীবন উনুনের ধোঁয়ায় বসে মিষ্টি বানিয়েছেন, ওনার সারা শরীর বেজায় গরম তাই উনিও মৃত্যুর পর এখানে চলে আসেন। কিন্তু এসব কথা এখন থাক,ভীম বাবু আপনি দয়া করে ষোলো টা রসগোল্লা র হিসেব দিন।ভীম বাবু রোষকশায়িত লোচনে তাকিয়ে বললেন আগে আমার চিন্তামণি কে ফেরৎ দিন।কেশব বাবু বললেন হ্যাঁ সবই গোঁজামিল, দু দুটো বউ নিয়ে উনি থাকবেন….তাহলে পাঁচি আমার।
এই সময় পাঁচি বলে উঠল হুঁ ন মণ ঘি ও পুড়বেনি আর রাধেও নাচবেনি,ইদিকে ভোর যে হয়ে এলো,সেই শুনে পাঁচি র সাথে সাথে বাকি দুই অশরীরী ও গায়েব হয়ে গেল। হারাধন খানিকক্ষণ ভাবলো ও কি স্বপ্ন দেখছিল নাকি এসব সত্যি?কিন্তু না পরদিন রাতে আবার সেই ঝগড়া। ষোলো টা রসগোল্লা র হিসেব থেকে শুরু করে চিন্তামণি কে ফেরৎ চাওয়া অবধি সব হুবহু এক।মাঝরাতে শুরু হয় আর শেষ রাত অবধি চলে।
এভাবে কিছুদিন চলার পর আর থাকতে না পেরে অবশেষে হারাধন একদিন বনমালী কে ডেকে বলল অন্য একটা বাড়ি দেখতে এবং সেটা যেন লোকালয়ে হয়।এবং যে কদিন বাড়ি না পাওয়া যায় সে কদিন সে গেস্ট হাউসে থাকবে।বনমালী কিছু বুঝতে না পেরে সম্মতি জানিয়ে চলে গেলে হারাধন আবার গেস্ট হাউসে ফিরে গেল।
এরপর মাঝেমাঝেই হারাধন নিজের অজান্তেই ভীম বাবু আর কেশব বাবুর ঝগড়া নিয়ে ভাবতো।আর ভাবতো সেই ষোলো টা রসগোল্লা র হিসেব আজও হয়তো অমীমাংসিত থেকে গেছে।সবচেয়ে আশ্চর্যজনক হারাধন নল আর চৌবাচ্চার অঙ্ক টা মিলিয়ে ফেলেছে।।
শেষ

Author
Rupa
A bibliophile and travel freak with two beautiful twin daughters, loves to explore the world of literature and its varied facets.
