রবীন্দ্র সাহিত্য অবলম্বনে ৭টি সেরা বাংলা চলচ্চিত্র
বাংলার সভ্যতা ও সংস্কৃতির শ্রেষ্ঠত্বের মানদণ্ড আমাদের সকল কবি ও সাহিত্যিক। তাঁদের সৃষ্টির মাধ্যমেই সম্পূর্ণ বাঙালি জাতির মধ্যে পৌঁছে গেছে জ্ঞানের আলো। আমাদের এই সোনার বাংলার কবি ও সাহিত্যিকদের অমূল্য সৃষ্টি সমগ্র বাঙালি জাতির উৎকৃষ্টতার পরিচয় বহন করে। আর সেই বাঙালির মননে ও কৃষ্টিতে যিনি চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন তিনি হলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
কলকাতার বিখ্যাত জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ, ইংরেজির ৭ই মে, ১৮৬১ সালে জন্মগ্রহণ করেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি ব্রাহ্ম ধর্মগুরু মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও সারদাসুন্দরী দেবীর চতুর্দশ সন্তান ছিলেন।
বাংলা সাহিত্যের একজন অবিস্মরণীয় ব্যক্তিত্ব কালজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী রবীন্দ্রনাথ ছিলেন একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, ছোটগল্পকার, প্রাবন্ধিক, সংগীতস্রষ্টা, কণ্ঠশিল্পী, অভিনেতা, চিত্রকর ও দার্শনিক।


তিনি বাংলা সাহিত্যে ইউরোপিয়ান সাহিত্যের বিভিন্ন উপাদান যোগ করে তাতে নিয়ে এসেছিলেন আধুনিকতার ছোঁয়া। বাংলা সাহিত্যকে বিশ্ব সাহিত্যের দরবারে তিনি এক বিশেষ স্থান দিয়েছেন। রবীন্দ্রনাথ দেশ কালের ঊর্ধ্বে, তিনি বিশ্বমানবের। তাঁর লেখনী শুধু ভারতবাসীকেই নয়, সমগ্র বিশ্ববাসীকেও বারংবার মুগ্ধ করেছে।
রবীন্দ্রনাথের এই সাহিত্য সৃষ্টি থেকে সৃষ্টি হয়েছে বহু কালজয়ী বাংলা চলচ্চিত্র। তাঁর সাহিত্যকর্ম বিশ্ববিশ্রুত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় সহ বহু স্বনামধন্য চলচ্চিত্র নির্মাতাকে প্রভাবিত করেছে। এমনকি বর্তমান প্রজন্মের প্রখ্যাত চিত্রপরিচালকদের এখনও রসদ যোগায় রবীন্দ্রনাথের গান, কবিতা, উপন্যাস, নাটক। তাঁর লেখনীকে উপজীব্য করে এখনও তৈরি হয় অনেক বাংলা চলচ্চিত্র।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রবীন্দ্র সাহিত্য অবলম্বনে ৭টি সেরা বাংলা চলচ্চিত্র আজকে আমার প্রবন্ধের আলোচ্য বিষয়বস্তু। চলুন তাহলে এক ঝলকে জেনে নিন সেইসব সেরা বাংলা ছবির ঠিকানা।
চারুলতা
সাল : ১৯৬৪
ভাষা : বাংলা
সময়কাল : ১ঘণ্টা ৫৭মিনিট
পরিচালক : সত্যজিৎ রায়
অভিনেতা ও অভিনেত্রীবৃন্দ : সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, মাধবী মুখোপাধ্যায়, শৈলেন মুখোপাধ্যায়, শ্যামল ঘোষাল প্রমুখ
আইএমডিবি রেটিং: ৮.১/১০

রবীন্দ্রনাথ আর সত্যজিৎ রায়ের জুটি এক কথায় অনবদ্য। আর এই জুটির অন্যতম সেরা বাংলা চলচ্চিত্র “চারুলতা”। এই ছবির জন্য ১৯৬৫ সালে ১৫তম বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সত্যজিৎ রায় সেরা পরিচালক হিসেবে সিলভার বিয়ার পুরস্কারে ভূষিত হন। এছাড়াও ছবিটি ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা চলচ্চিত্রের জন্য গোল্ডেন লোটাস পুরস্কারও পেয়েছিল।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনপ্রিয় উপন্যাস “নষ্টনীড়” অবলম্বনে এই ছায়াছবিটিতে এক অবহেলিত গৃহবধূ চারুর মানসিক উপলব্ধি, স্বামীর সঙ্গে তার সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং রাজনৈতিক ঘটনার সার্থক সমন্বয় তুলে ধরা হয়েছে। মূলত এই ছবির কাহিনী চারুর সাথে এক তরুণ বুদ্ধিজীবী পুরুষের অবর্ণনীয় সম্পর্কের ন্যায্যতা দেয়।
তিন কন্যা
সাল : ১৯৬১
ভাষা : বাংলা
সময়কাল : ১ঘণ্টা ৫৪মিনিট
পরিচালক : সত্যজিৎ রায়
অভিনেতা ও অভিনেত্রীবৃন্দ : অনিল চট্টোপাধ্যায়, চন্দনা বন্দ্যোপাধ্যায়, কুমার রায়, কণিকা মজুমদার, কালী বন্দ্যোপাধ্যায়, অপর্ণা সেন, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ
আইএমডিবি রেটিং: ৭.৯/১০



রবীন্দ্র সাহিত্য অবলম্বনে অন্যতম সেরা বাংলা চলচ্চিত্র হিসেবে “তিন কন্যা” সিনেপ্রেমীদের মনে এক বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা তিনটি ভিন্ন স্বাদের ছোটগল্প অবলম্বনে এই ছবিটি কিংবদন্তি চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায় পরিচালনা করেছিলেন। এই বাংলা ক্লাসিক সত্যজিৎ রায়ের অন্যতম একটি মাস্টারপিস।
এই ছবিটি ১৯৬১ সালে বেস্ট বেঙ্গলি ফিচার ফিল্মের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিল। এছাড়াও ১৩তম বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা চলচ্চিত্রের জন্য সেলজনিক গোল্ডেন লরেল পুরস্কার এবং ২৫তম বার্ষিক বিএফজেএ অ্যাওয়ার্ডে বছরের সেরা ভারতীয় চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেয়েছিল এই বাংলা ক্লাসিকটি।
“তিন কন্যা”- এই নামটি থেকেই স্পষ্টত বোঝা যায় যে এই ছবিটি একটি নারীকেন্দ্রিক ছবি, যেখানে তিনটি গল্পে তিনটি নারী চরিত্রকে মুখ্য ভূমিকায় দেখা গেছে।
এই ছবির প্রথম গল্প “পোস্ট মাস্টার”। এই গল্পে নন্দলাল নামক একজন কলকাতার যুবক পোস্টমাস্টারের কাজে নিযুক্ত হন এক অজপাড়াগাঁয়ে। সেখানে এসে তার পরিচয় হয় এক অনাথ কিশোরী রতনের সাথে। রতন নন্দলালের সমস্ত কাজকর্ম করে দিত। এক অচেনা জায়গায় নন্দলালের সাথে রতনের যে পারস্পরিক নির্ভরতা এবং স্নেহের সম্পর্ক গড়ে ওঠে সেই কাহিনীই তিন কন্যার এই গল্পটির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
দ্বিতীয় গল্প “মণিহারা”, যা একটি ভৌতিক কাহিনী অবলম্বনে রচিত। একজন সম্ভ্রান্ত পরিবারের গৃহবধূ মণিমালিকার গয়নার প্রতি চরম আসক্তি কীভাবে তার জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটাল তারই বর্ণনা আছে এই কাহিনীটিতে।
এই ছবির তৃতীয় ও শেষ গল্প “সমাপ্তি”। এই গল্পে মৃন্ময়ী নামক এক চঞ্চল প্রাণ কিশোরীর বিবাহের প্রথাবদ্ধ আচরণের সাথে মানিয়ে না নিতে পারার কাহিনীকে হাস্যরসে পরিপূর্ণ করে আপন ভঙ্গিতে সুচারুভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন সত্যজিৎ রায়।
ঘরে বাইরে
সাল : ১৯৮৪
ভাষা : বাংলা
সময়কাল : ২ঘণ্টা ২০মিনিট
পরিচালক : সত্যজিৎ রায়
অভিনেতা ও অভিনেত্রীবৃন্দ : সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়, স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত, জেনিফার কেন্ডাল, মনোজ মিত্র প্রমুখ
আইএমডিবি রেটিং: ৭.৫/১০

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী উপন্যাস “ঘরে বাইরে”-র উপর ভিত্তি করে ১৯৮৪ সালে একই নামে মুক্তি পায় সত্যজিৎ রায় পরিচালিত এই অন্যতম সেরা বাংলা চলচ্চিত্র। একদিকে রাজনৈতিক অস্থিরতা, অন্যদিকে মানসিক দ্বন্দ্ব ও সম্পর্কের টানাপোড়েনের গল্প বলা হয়েছে এই উপন্যাসে।
প্রেম, সাহচর্য, প্রতারণা এবং বঙ্গভঙ্গের পরবর্তী সময়ে জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের পটভূমিতে স্বাধীনতার কাহিনী এই ছবিটিতে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ছবিটিকে ১৯৮৪ সালের কান ফিল্ম ফেস্টিভালে পাম ডি’অর-এর জন্য প্রতিযোগিতামূলক বিভাগে দেখানো হয় এবং বেস্ট বেঙ্গলি ফিচার ফিল্ম হিসেবে এই ছবিটি ১৯৮৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পায়।
কাবুলিওয়ালা
সাল : ১৯৫৭
ভাষা : বাংলা
সময়কাল : ১ঘণ্টা ৫৬মিনিট
পরিচালক : তপন সিংহ
অভিনেতা ও অভিনেত্রীবৃন্দ : ছবি বিশ্বাস, ঐন্দ্রিলা ঠাকুর (টিঙ্কু ঠাকুর), রাধা মোহন ভট্টাচার্য, মঞ্জু দে প্রমুখ
আইএমডিবি রেটিং: ৭.৯/১০

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ছোটগল্প “কাবুলিওয়ালা” অবলম্বনে ১৯৫৭ সালে একই নামে মুক্তি পায় তপন সিংহের অন্যতম সেরা বাংলা চলচ্চিত্র। আফগান থেকে আগত এক কাবুলিওয়ালা এবং এক ছোট্ট নিষ্পাপ শিশুর নির্ভেজাল ভালোবাসার সম্পর্ককে চিত্রায়িত করা হয়েছে এই ছবিতে। আট থেকে আশি সকলের কাছেই এই ছবিটি বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২০২৩ সালে পুনরায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই উপন্যাসকে অবলম্বন করে সুমন ঘোষ পরিচালিত “কাবুলিওয়ালা” ছবিটি মুক্তি পায়, যা আবার দর্শকের মন জয় করতে সক্ষম হয়।
গল্পে রহমত শেখ নামক একজন কাবুল নিবাসী কলকাতার অলিতে গলিতে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন ধরনের শুকনো ফল ফেরি করে বেড়ায়। একদিন এক বাঙালি লেখকের ছোট্ট মেয়ে মিনির সাথে তার আলাপ হয়, যাকে দেখে তার কাবুলে ফেলে আসা নিজের মেয়ের কথা মনে পড়ে যায়। ধীরে ধীরে রহমতের সঙ্গে সখ্য বাড়তে থাকে মিনির। তাদের সম্পর্কের অন্তিম পরিণতি কী হয় সেটা জানতে হলে অবশ্যই দেখতে হবে এই কালজয়ী সিনেমাটি।
চোখের বালি
সাল : ২০০৩
ভাষা : বাংলা
সময়কাল : ২ঘণ্টা ৪৭মিনিট
পরিচালক : ঋতুপর্ণ ঘোষ
অভিনেতা ও অভিনেত্রীবৃন্দ : ঐশ্বর্য রাই বচ্চন, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, রাইমা সেন, টোটা রায় চৌধুরী, লিলি চক্রবর্তী প্রমুখ
আইএমডিবি রেটিং: ৭.১/১০

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “চোখের বালি” উপন্যাস অবলম্বনে চিত্রায়িত অন্যতম সেরা বাংলা চলচ্চিত্র ২০০৩ সালে সিনেপ্রেমীদের উপহার দিয়েছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। বিনোদিনী, মহেন্দ্র, আশালতা আর বিহারীর জীবনের বিপর্যয়ের কাহিনী “চোখের বালি”। প্রেম, প্রতারণা, ব্যভিচার- সম্পর্কের টানাপোড়েনের কাহিনী “চোখের বালি”। রবীন্দ্রনাথের লেখনী ও ঋতুপর্ণ ঘোষের পরিচালনা এই দুয়ের যুগলবন্দীতে এক আলাদাই মাত্রা পেয়েছে এই ছবি। বেস্ট বেঙ্গলি ফিচার ফিল্ম হিসেবে এই ছবিটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিল। এছাড়াও এই ছবিটি প্রদর্শিত হয়েছিল ভারতের ৩৪তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে।
নৌকাডুবি
সাল : ২০১১
ভাষা : বাংলা
সময়কাল : ২ঘণ্টা ১৫মিনিট
পরিচালক : ঋতুপর্ণ ঘোষ
অভিনেতা ও অভিনেত্রীবৃন্দ : যীশু সেনগুপ্ত, রিয়া সেন, রাইমা সেন, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ
আইএমডিবি রেটিং: ৭.৭/১০

রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস আর ঋতুপর্ণ ঘোষের পরিচালনায় সৃষ্ট আরও এক কালজয়ী বাংলা চলচ্চিত্র “নৌকাডুবি”। একটা নৌকাডুবি কীভাবে চার চারটে জীবন বদলে দিল তারই কাহিনী চিত্রায়িত হয়েছে এই ছবিটিতে। কাহিনীটির সূত্রপাত হয় এইভাবে- পেশায় আইনজীবী রমেশচন্দ্র চৌধুরী হেমনলিনী নামক এক তরুণীর প্রেমে পড়ে। রমেশের পিতা তাদের এই সম্পর্কের ব্যাপারে অবগত না থাকায় এক কন্যাদায়গ্রস্ত দরিদ্র অসহায় বিধবার মেয়ে সুশীলার সাথে রমেশের সম্মতি ছাড়াই তার বিয়ে ঠিক করে দেয়। পিতার এই প্রস্তাব প্রথমে প্রত্যাখ্যান করলেও কনের মায়ের অনুরোধে রমেশ শেষপর্যন্ত তার অনিচ্ছা সত্ত্বেও এই বিয়েতে সম্মতি দেয়। শুভদৃষ্টির সময় রমেশ সুশীলাকে না দেখেই সেই বিয়ে সম্পন্ন করে। বিয়ে করে তার নববিবাহিতা স্ত্রীকে নিয়ে নৌকা করে বাড়ি ফেরার পথে ঘটল এক বিপত্তি- হল নৌকাডুবি। আর সেই নৌকাডুবিতে রমেশ তার পিতাকে হারায়। তবে তার স্ত্রীকে নদীর তীরে অচেতন অবস্থায় খুঁজে পায়। যত দিন যেতে থাকে তাদের কথোপকথনের মাধ্যমে রমেশ জানতে পারে যাকে সে তার স্ত্রী ভেবে নিজের সাথে নিয়ে এসেছে সে সুশীলা নয়, কমলা- একজন পরস্ত্রী। এই পরিস্থিতিতে রমেশ কী সিদ্ধান্ত নিল? কমলা, যে রমেশকে তার স্বামী হিসেবে মন থেকে মেনে নিয়েছে, তার উপরই বা এর কী প্রভাব পড়ল? সেই উত্তর পেতে হলে দেখতে হবে সম্পূর্ণ ছবিটি।
এছাড়াও এই একই উপন্যাস অবলম্বনে ১৯৭৯ সালে অজয় করের পরিচালনায় “নৌকাডুবি” ছবিটি রুপোলী পর্দায় এসেছিল।
চতুরঙ্গ
সাল : ২০০৮
ভাষা : বাংলা
সময়কাল : ২ঘণ্টা ০৫মিনিট
পরিচালক : সুমন মুখোপাধ্যায়
অভিনেতা ও অভিনেত্রীবৃন্দ : ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, কবীর সুমন, সুব্রত দত্ত, জয় সেনগুপ্ত প্রমুখ
আইএমডিবি রেটিং: ৭.৬/১০

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আরও এক প্রসিদ্ধ উপন্যাস “চতুরঙ্গ”, যাকে অবলম্বন করে ২০০৮ সালে একই নামে চিত্র পরিচালক সুমন মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এই বাংলা চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। নরনারীর জটিল যৌনমনস্তত্ত্ব ও আদর্শের সংঘাতই এই বাংলা ক্লাসিকটির মূল উপজীব্য। দেশে ও দেশের বাইরে একাধিক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এই ছবিটি প্রদর্শিত ও প্রশংসিত হয়েছে।
উল্লিখিত বাংলা চলচ্চিত্রগুলি ছাড়াও রবীন্দ্র সাহিত্য অবলম্বনে তৈরি হয়েছে আরও অনেক বিখ্যাত ছবি। ঠাকুরের উপন্যাসের গল্প বারংবার আকর্ষণ করেছে পরিচালকদের। তাই রুপোলী পর্দায় আজও গল্প বলে যান কবিগুরু।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীতে তাঁকে সশ্রদ্ধ প্রণাম জানিয়ে আজ এখানেই ইতি টানলাম।

Author
Moumita Sadhukhan
A big foodie and a fun-loving person, love to explore the beauty of nature and want to introduce Indian cultural heritage to the future generation.

Pingback: বাংলা চলচ্চিত্র জগতের কয়েটি বিখ্যাত গোয়েন্দা সিনেমা - Kuntala's Travel Blog