কলকাতার ৮টি সেরা বাঙালি রেস্তোরাঁ
আজকে যে প্রসঙ্গ নিয়ে আমি আলোচনা করতে চলেছি তার সাথে জড়িয়ে রয়েছে আমাদের রসনাতৃপ্তির সম্পর্ক। যদিও বাঙালি সর্বভুক, তবুও মা-ঠাকুমার হাতের রান্নার কাছে আর অন্য সবকিছুই যেন ফিকে পড়ে যায়। তবে সময়ের সাথে সাথে বাংলার অনেক সাবেকি রান্না কোথাও যেন হারিয়ে গেছে। আর সেই সমস্ত পুরনো দিনের রান্নাগুলোকে আবার ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে কলকাতার কিছু সেরা বাঙালি রেস্তোরাঁ।
অনেকেই হয়তো বাঙালি রেস্তোরাঁ শুনেই বলবেন বাঙালি খাবার খেতে কে বাপু রেস্তোরাঁয় ছোটে? বাড়িতেই তো পঞ্চব্যঞ্জন রেঁধে জমিয়ে খাওয়া-দাওয়াটা সেরে ফেলা যায়। আসলে কি বলুন তো, একটা দিন সমস্ত চিন্তা মাথা থেকে দূর করে কোনো ভালো রেস্তোরাঁয় জমিয়ে বাঙালি রান্না খাওয়ার পরম সুখ যে কি সেটা শুধু সেই মানুষগুলোই বোঝেন যারা রোজ হাত পুড়িয়ে পরিবারের সকলের জন্য রান্না করেন বা যারা কর্মব্যস্ততার জন্য হেঁসেলে বেশি সময় কাটাতে পারেন না অথবা যারা রান্নায় খুব একটা পটীয়সী নন। তাই সেই সমস্ত ভোজনরসিক পেটুক বাঙালিদের জন্য আজকে রইলো শহরের সেরা বাঙালি রেস্তোরাঁ।
আহেলী
কাঁসার পাতে খাসা বাঙালি খাবারের জন্য প্রসিদ্ধ এই অন্যতম সেরা বাঙালি রেস্তোরাঁ ১৯৯৩ সালে তার পথ চলা শুরু করে। পিয়ারলেস গ্রুপের ভারতবর্ষের প্রথম ফ্ল্যাগশিপ হোটেল পিয়ারলেস ইন, আর এই পিয়ারলেস ইন হোটেলের প্রথম রেস্তোরাঁ আহেলী ভারতবর্ষে প্রথম বাঙালি খাবার পরিবেশনকারী ফাইন ডাইনিং রেস্তোরাঁ। আহেলী এই নামটা একটি আরবি শব্দ ‘আহেল’ থেকে এসেছে, যার অর্থ অথেন্টিক। অথেন্টিক ইনগ্রিডিয়েন্টস ও রেসিপি ব্যবহার করে অথেন্টিক বাঙালি খাবার পরিবেশন করাই আহেলীর প্রধান বিশেষত্ব। এপার বাংলা ও ওপার বাংলার বিভিন্ন ধরনের আদর্শ বাঙালি খাবার সাথে খাঁটি বাঙালি পোশাকে সজ্জিত খাদ্য পরিবেশক সব মিলিয়ে এক রাজকীয় পরিবেশ ও খাবারের স্বাদ পেতে আপনাকে আসতেই হবে এই বিখ্যাত রেস্তোরাঁটিতে।

ঠিকানা
পিয়ারলেস হোটেল, ১২, জওহরলাল নেহেরু রোড, নিউ মার্কেট এরিয়া, ধর্মতলা, তালতলা, কলকাতা– ৭০০০১৩।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য নিচে দেওয়া লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।
Multi Cuisine Dining Restaurants Near Park Street, Kolkata | Peerless Hotels, Kolkata

কস্তুরী
বাঙালি রান্না বলতে কিন্তু শুধু আমাদের পশ্চিমবাংলার রান্নাই বোঝায় না। অবিভক্ত বাংলা অর্থাৎ পশ্চিম ও পূর্ব বাংলার সমস্ত রান্নাই বাঙালি হেঁসেলে বহু প্রজন্ম ধরে আমাদের মা-ঠাকুমারা রেঁধে চলেছেন। কস্তুরীর ট্যাগ লাইন ‘এপার ওপার মিলে একাকার’ থেকে স্পষ্টই বোঝা যায় যে এখানে পশ্চিমবাংলা ও বাংলাদেশের বিভিন্ন বিখ্যাত বাঙালি খাবার পাওয়া যায়। দু’ই বাংলার রকমারি রান্নার সমাহার নিয়ে এই রেস্তোরাঁ ১৯৯৪ সাল থেকে বাঙালিদের রসনাতৃপ্তির খেয়াল রেখে চলেছে। এখানকার সিগনেচার ডিশটি হল কচু পাতা চিংড়ি ভাপা। এছাড়াও এখানে আপনি পেয়ে যাবেন বিভিন্ন ধরনের মাছের নানান আইটেম। এত খাবারের মাঝে যদি কনফিউজড হয়ে যান তাহলে বেছে নিতে পারেন কস্তুরীর যেকোনো একটি বাঙালি থালি। এই রেস্তোরাঁয় প্রতি বছর ইলিশ উৎসবের আয়োজনও করা হয়। এই ইলিশ উৎসবের সময় এখানে অবশ্যই একবার হলেও ঢুঁ মেরে যাবেন।

ঠিকানা
৭এ, মারকুইস স্ট্রিট, এসপ্ল্যানেড, তালতলা, কলকাতা- ৭০০০১৬।
এছাড়াও সোদপুর, চিনার পার্ক, বেহালা, গড়িয়া, ডোভার লেন, বালিগঞ্জ, যাদবপুর, ব্যারাকপুর, বারাসাত সহ পুরী ও গুয়াহাটিতে কস্তুরীর আউটলেট রয়েছে।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য নিচে দেওয়া কস্তুরীর ফেসবুক পেজের লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।
https://www.facebook.com/Kasturirestaurantkolkata?mibextid=LQQJ4d

ভজহরি মান্না
কলকাতা শহরের অন্যতম সেরা বাঙালি রেস্তোরাঁ হিসেবে ভজহরি মান্না খাদ্যরসিকদের মনে এক বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। সালটা ২০০৩, মার্চ মাস, শুরু হয় পাঁচ বন্ধুর স্বপ্ন পূরণের কাহিনী। একডালিয়ার একটি গ্যারেজ থেকে যাত্রা শুরু হয় ভজহরি মান্নার। নিজস্ব ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে তারা অনুভব করেন যে কলকাতা শহরে ভালো বাঙালি রেস্তোরাঁর যথেষ্ট অভাব আছে। যদিও এদের কারোরই কোনো রকম এফ অ্যান্ড বি প্রশিক্ষণ ছিল না। শুধুমাত্র বাঙালি খাবারের প্রতি ভালোবাসাই তাদের অনুপ্রেরণা যোগায় এই ধরনের একটি হোম স্টাইল বাঙালি খাবারের রেস্তোরাঁ খোলার। এই রেস্তোরাঁটির নামকরণ করা হয়েছিল জনপ্রিয় বাংলা চলচ্চিত্র ‘প্রথম কদম ফুল’-এ কিংবদন্তি গায়ক মান্না দে-র গাওয়া বিখ্যাত গান ‘আমি শ্রী শ্রী ভজহরি মান্না’ থেকে।
এই রেস্তোরাঁ খোলার এক মাসের মধ্যেই জনসাধারণের উপচে পড়া ভিড় সামাল দিতে তারা হিমশিম খেয়ে যায়। তারপর একে একে উত্তর থেকে দক্ষিণ, শহরের সর্বত্র ভজহরি মান্নার আউটলেট ছড়িয়ে পড়ে। তবে শুধুমাত্র বাংলাতেই নয়, এই রেস্তোরাঁ ভিন রাজ্যের বাঙালিদেরও রসনাতৃপ্তির খেয়াল রেখে চলেছে।

ঠিকানা
১৮/১এ, হিন্দুস্তান রোড, কলকাতা- ৭০০০২৯।
এছাড়াও একডালিয়া, হাজরা, কসবা, সল্টলেক সেক্টর-১ ও ৫, এসপ্ল্যানেড, নাগের বাজার, হাতিবাগান, চিনার পার্ক, নিউটাউনে (ডাউনটাউন মল) ভজহরি মান্নার আউটলেট আছে। উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি এবং পশ্চিমবাংলার বাইরে পুরী ও বেঙ্গালুরুতেও এদের আউটলেট রয়েছে।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য নিচে দেওয়া লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।

৬ বালিগঞ্জ প্লেস
কলকাতার সেরা বাঙালি রেস্তোরাঁ প্রসঙ্গে বলতে গেলে যে রেস্তোরাঁটির নাম না নিলেই নয় সেটি হল ৬ বালিগঞ্জ প্লেস। সেভারিটস্ হসপিটালিটি প্রাইভেট লিমিটেডের অধীনস্থ এই রেস্তোরাঁটিও তার যাত্রা শুরু করে ২০০৩ সালে। বেঙ্গলি কুইজিনকে ফাইন ডাইনিং-এ নিয়ে আসার এই অসাধারণ প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। বাংলা ও বাঙালির সমৃদ্ধশালী ঐতিহ্যকে বিগত দু’ই দশক ধরে খাঁটি বাঙালি খাবারের মাধ্যমে বহন করে নিয়ে চলেছে এই রেস্তোরাঁ। অন্যান্য বাঙালি খাবারের সাথে সাথে ঠাকুর বাড়ির বিশেষ কিছু রান্নার স্বাদ নিতে চাইলে আপনাকে পৌঁছে যেতে হবে ৬ বালিগঞ্জ প্লেসে।

ঠিকানা
৬, ডঃ অমিয় বোস সরণি রোড, বালিগঞ্জ প্লেস, বালিগঞ্জ, কলকাতা- ৭০০০১৯, পাঠ ভবন স্কুলের নিকট।
এছাড়াও সল্টলেক সেক্টর-১ ও ৫, কসবা, যোধপুর পার্ক, গড়িয়া, অজয়নগর, যাদবপুর, বেহালা, নিউ আলিপুর, শোভাবাজার, রাজারহাট, নিউটাউন সহ কলকাতা শহর এবং পশ্চিমবাংলার বিভিন্ন জায়গায় ৬ বালিগঞ্জ প্লেসের আউটলেট রয়েছে।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য নিচে দেওয়া লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।

ভূতের রাজা দিল বর
এই রেস্তরাঁর নামটি বিশ্ববিশ্রুত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় নির্মিত কালজয়ী সিনেমা ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’-এর বিখ্যাত গান ‘ভূতের রাজা দিল বর’ থেকে নেওয়া হয়েছে। যেমন সত্যজিৎ রায়ের ছবি মানেই খাঁটি বাঙালিয়ানার ছোঁয়া, সেরকমই এই রেস্তোরাঁর পরিবেশ ও খাবারে রয়েছে ষোলো আনা বাঙালিয়ানা। এই রেস্তোরাঁটি বাংলার হারিয়ে যাওয়া স্বাদ মানুষের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ২০০৪ সালে অক্ষয় তৃতীয়ার শুভ দিনে তার যাত্রা শুরু করে। আর পাঁচটা রেস্তোরাঁর মতো এখানেও বিভিন্ন বাঙালি থালি পাওয়া যায়, তবে এই থালিগুলোর বিশেষত্ব হল এদের নাম। সুন্ডি রাজার থালি, গুপীর থালি, বাঘার থালি, ভূতের মহাভোজ থালি এই ধরনের নামগুলো আমাদের চোখের সামনে ভাসিয়ে তোলে গুপী গাইন বাঘা বাইন-এর দৃশ্যগুলো। এছাড়াও এখানকার সাজসজ্জা আমাদের নিয়ে যায় ভূতের রাজার দেশে। সব মিলিয়ে এই থিমড্ রেস্তোরাঁটি কলকাতার অন্যতম সেরা বাঙালি রেস্তোরাঁ হিসেবে মানুষের মন জয় করে নিয়েছে।

ঠিকানা
১এফ, রাজা সুবোধ চন্দ্র মল্লিক রোড, শান্তি পল্লী, যাদবপুর, কলকাতা- ৭০০০৩২। এছাড়াও কলকাতার মধ্যে সল্টলেক সেক্টর-৫ ও নিউটাউন এবং কলকাতার বাইরে সোদপুর, কল্যাণী, দুর্গাপুর, চন্দননগর ও শিলিগুড়িতে এই রেস্তোরাঁর আউটলেট রয়েছে।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য নিচে দেওয়া লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।

ওহ! ক্যালকাটা
অঞ্জন চ্যাটার্জীর হাত ধরে দুই দশকেরও বেশি সময় অতিক্রান্ত করে এসেছে এই সেরা বাঙালি রেস্তোরাঁ। মুম্বাই থেকে এর যাত্রা শুরু হয়। তারপর ধীরে ধীরে ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পরে এই বাঙালি রেস্তোরাঁর আউটলেট। শুধু বাঙালিই নয়, অবাঙালি থেকে শুরু করে ভিনদেশিদেরও মুগ্ধ করেছে এখানকার বাঙালি খাবার। প্রথমে এই রেস্তোরাঁটির নাম ছিল ‘অনলি ফিস’। তারপর সেই নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম রাখা হয় ওহ! ক্যালকাটা। অসাধারণ অ্যাম্বিয়েন্সের সাথে বাঙালি খাবারকে সকলের কাছে নতুন রূপে পরিবেশন করেছে ওহ! ক্যালকাটা। এখানে ড্রিঙ্কস্, থেকে শুরু করে স্টার্টার, মেনকোর্স, ডেসার্ট সব খাবারের স্বাদই অতুলনীয়। সাবেকি বাঙালি রান্নার পাশাপাশি এখানে আপনি পেয়ে যাবেন স্মোকড্ ইলিশ, গন্ধরাজ ভেটকি আর কাঁচালঙ্কা চিকেনের মতো ইউনিক খাবারগুলো।

ঠিকানা
ফোরাম মল, ১০/৩, এলগিন রোড, শ্রীপল্লি, ভবানীপুর, কলকাতা- ৭০০০২০।
সিলভার আর্কেড, থার্ড ফ্লোর, টি-১, টি-২ (ইএম বাইপাস), ৫, জেবিএস হ্যালডেন এভিনিউ, কলকাতা- ৭০০১০৫।
এছাড়াও কলকাতার বাইরে বেঙ্গালুরু, দিল্লি, হায়দ্রাবাদে ওহ! ক্যালকাটার আউটলেট রয়েছে।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য নিচে দেওয়া ওহ! ক্যালকাটার ফেসবুক পেজের লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।
https://www.facebook.com/ohcalcuttaindia?mibextid=LQQJ

কষে কষা
‘কষে কষা’ এই নামটাই যেন প্রত্যেক বাঙালির জিভে জল এনে দেয়। এই রেস্তোরাঁটি ২০০৭ সাল থেকে আমাদের নানান ধরনের সুস্বাদু বাঙালি খাবার পরিবেশন করে আসছে। অসাধারণ বাঙালি খাবারের সাথে সাথে এই রেস্তোরাঁর সাজসজ্জায়ও রয়েছে সম্পূর্ণ বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। এখানে গেলে প্রথমেই এক গ্লাস আম পোড়ার শরবত অবশ্যই অর্ডার করবেন। আর আমার পার্সোনালি স্টার্টারে যে ডিশটা খুবই ভালো লেগেছিল সেটা হল ভেটকি-চিংড়ির মেলবন্ধন। মেনকোর্সে আর যাই অর্ডার করুন না কেন এখানকার সর্ষে ইলিশ কিন্তু অবশ্যই ট্রাই করবেন। আর শেষ পাতে ডেসার্ট তো আছেই। ‘কষে কষা’ সেরা বাঙালি রেস্তোরাঁ হিসেবে মানুষের মন জয় করে নিয়েছে|

ঠিকানা
১২৬, রাজা সুবোধ চন্দ্র মল্লিক রোড, কেপিসি মেডিকাল কলেজ এবং হসপিটাল ক্যাম্পাস, যাদবপুর, কলকাতা- ৭০০০৩২।
এছাড়াও কলকাতার হাতিবাগান, গোলপার্ক, সল্টলেক, চিনার পার্ক, রিপন স্ট্রিট, হাইল্যান্ড পার্ক, বেহালা, নাগেরবাজার, গড়িয়া, সোদপুর সহ শহরতলীর বিভিন্ন জায়গায় কষে কষার আউটলেট রয়েছে। কলকাতার বাইরে শিলিগুড়ি ও দীঘাতেও এই রেস্তোরাঁর শাখা ছড়িয়ে পড়েছে।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য নিচে দেওয়া লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।

সপ্তপদী
উত্তমকুমার ও সুচিত্রা সেনের জুটি আজও বাঙালিদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়। এই এভারগ্রিন জুটির বিখ্যাত সিনেমা ‘সপ্তপদী’-র নামেই এই বাঙালি রেস্তোরাঁর নামকরণ করা হয়েছে। ২০১১ সালে উত্তর কলকাতার বিধান সরণিতে সপ্তপদী তার যাত্রা শুরু করে সেফ রঞ্জন বিশ্বাস ও স্বরূপ মন্ডলের হাত ধরে। এই রেস্তোরাঁর ভিতরটি উত্তম কুমার ও সুচিত্রার সেনের নানান ছবি দিয়ে সাজানো, আর তার সাথে বাড়তি পাওনা এনাদের বিখ্যাত বাংলা সিনেমার কালজয়ী সব গান।
এখানকার লিচু লঙ্কার শরবত এক কথায় অসাধারণ। এছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের মাছের ইউনিক সব আইটেম। মাংসের আইটেমের বৈচিত্র্যেরও অভাব নেই এখানে। এখানকার নলেন গুড়ের ক্যারামেল কাস্টার্ড আর নলেন গুড়ের ব্রাউনির মতো ডেসার্টগুলো আপনার মন কেড়ে নেবে।

ঠিকানা
৪৯বি, পূর্ণ দাস রোড, গোলপার্ক, হিন্দুস্তান পার্ক, গড়িয়াহাট, কলকাতা- ৭০০০২৯।
এছাড়াও কলকাতার সল্টলেক সেক্টর-১, বাঘাযতীন, বেহালা এবং পশ্চিমবঙ্গের বাইরে পুরীতে সপ্তপদীর আউটলেট রয়েছে।
বিস্তারিত তথ্যের জন্য নিচে দেওয়া লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন।


Author
Moumita Sadhukhan
A big foodie and a fun-loving person, love to explore the beauty of nature and want to introduce Indian cultural heritage to the future generation.

Looks amazing!
Pingback: সল্টলেকের বিখ্যাত কয়েকটি কাফের কথা - Kuntala's Travel Blog
Pingback: কলকাতার ৬টি বিখ্যাত চাইনিজ রেস্তোরাঁ - Kuntala's Travel Blog